কদর ব্যালেস্টিক মিসাইল

কদর ( Qadr/Ghadr ) হলো ইরানের সর্বাধুনিক মিডিয়াম রেঞ্জ ব্যলেস্টিক মিসাইল। এটি ইরানের অন্যতম গর্বের বস্তু কারন এর রেঞ্জ ২০০০+ কি.মি হওয়ায় এটি ইসরায়েলেও আঘাত হানতে সক্ষম।
.
নব্বই দশকের শুরুর দিকে,ইরান তাদের মিসাইল টেকনোলোজি ডেভেলপ করা শুরু করে। শাহাব ২ এর রেঞ্জ ছিল ৫০০ কি.মি। এটা ইরানের বর্ডারের টার্গেট কে আঘাত হানতে সক্ষম ছিল তবে ইরান চাচ্ছিল ইসরায়েলে আঘাত হানতে পারে এমন কোন মিসাইল তৈরি করতে।
.
একই সময়ে,উত্তর কোরিয়া লং রেঞ্জ ব্যলেস্টিক মিসাইল পোগ্রাম শুরু করে। কিন্তু উত্তর কোরিয়ার আবার টেকনিক্যাল ও আর্থিক সমস্যা হচ্ছিল। তো,ইরান তাদের প্রজেক্টে বিনিয়োগ করে ও উত্তর কোরিয়ার NO-DONG মিসাইল টেকনোলজি ক্রয় করে নেয় ও তাদের শাহাব-৩ মিসাইলে প্রয়োগ করে। (পাকিস্তান ও তাদের মিসাইলে এ টেকনোলজি ইউজ করে)। একুশ শতাব্দীর শুরুর দিক দিয়ে তারা এই মিসাইলের বহু সফল পরীক্ষন চালায়। একই সময়ে ইরান চীন থেকে কিছু মিসাইল টেকনোলজি ক্রয় করে। ২০০৪ এ তারা নিজস্ব মিসাইল পোগ্রাম শুরু করে।এটিই কদর মিসাইল প্রজেক্ট।

২০০৮ সালে ইরান কদর মিসাইলের সফল পরীক্ষন চালায়। কদর মিসাইল ইরানের বহরে থাকা শাহাব মিসাইল গুলোকে রিপ্লেস করবে।

বিবরন :-

  • টাইপ :- মিডিয়াম রেঞ্জ ব্যলেস্টিক মিসাইল
  • দৈর্ঘ্য :- ১৫.৮ মিটার
  • ব্যসার্ধ :- ১.২৫ মিটার
  • মিসাইল ওজন :- ১৭ টন
  • ওয়ারহেড :- ১ টন
  • রেঞ্জ :- ২০০০+ কি.মি
  • গতি:- ম্যাক ১৪

মিসাইল সিস্টেম টি একটি মার্সিডিজ বেঞ্জ ট্রাকের ওপর সজ্জিত থাকে যা ঘন্টায় ৬০ কি.মি বেগে চলতে পারে। ফলে এটিকে সহজেই পরিবহন ও দুর্গম স্থানে মোতায়েন করা যায়।

ইরানের এত অবরোধ সত্যেও উত্তরোত্তর সামরিক উন্নতির তারিফ করতেই হয়।

Facebook Comments

1 Comment

Fahim · January 28, 2018 at 4:02 am

এগুলো দিয়ে কতটুকু ক্ষয়ক্ষতি করা যাবে তা জানতে চাচ্ছিলাম।একটু তুলনা যদি করতেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

%d bloggers like this: