বাংলাদেশের সীমান্তকে আরো সুরক্ষিত ও সর্বদা নজরদারীতে থাকার অংশ হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ সীমান্ত অঞ্চলগুলোতে সিসিটিভি ক্যামেরা,রাডার ইত্যাদি স্থাপন করা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই এই পদক্ষেপের ইতিবাচক ফল পাওয়া যাছে বাংলাদেশ মিয়ানমার সীমান্তে।

বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) কক্সবাজার, হিলি আর বেনাপোলের পর বাংলাদেশ ও ভারতের আসাম সীমান্তে ফ্লাড লাইট, সিসিটিভি ক্যামেরা,মোশন ডিটেক্টর সেন্সর এবং সার্ভেল্যান্স রাডার স্থাপন করতে যাচ্ছে। উল্লেখ্য,বাংলাদেশ-আসাম সীমান্তের ৭৬ কি.মি অংশে ভারত কাটাতারের বেড়া স্থাপন করলেও সাম্প্রতিকতম সময়ে “বাঙালীদের বাংলাদেশের নাগরিক” আখ্যা দিয়ে বাংলাদেশে পাঠিয়ে দিতে পারে এমন আশংকা বিজিবি উড়িয়ে দিচ্ছে না। আপাতত,কয়েকটি পয়েন্টে এ ব্যবস্থা চালু করা হলেও দেশজুড়ে ৫১১ কি.মি. “ক্রিটিকাল” অংশে আগামী ৩ বছরের মধ্যে ফ্লাড লাইট,সি.সি.টি.ভি ক্যামেরা,সার্ভেল্যান্স রাডার এবং মোশন ডিটেক্টর সেন্সর স্থাপন করা হবে।এছাড়া,বিজিবির জন্য ড্রোন কিনবার প্রক্রিয়াও চলমান রয়েছে।খুব দ্রুতই এসব সরঞ্জাম বিজিবি বহরে সংযুক্ত হবে।

বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে যুগের সাথে তাল মিলিয়ে সীমান্ত রক্ষা ও নজরদারীকে জোড়দাড় করতে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার ঘটাচ্ছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ। এতে সীমান্ত নজরদারী বৃদ্ধির পাশাপাশি বিজিবির রেসপন্স ও অনেক দ্রুত ঘটবে ও সক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে এমনটাই ধারনা করা হচ্ছে।

Facebook Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

%d bloggers like this: