#Triomphant and #Vigilant ক্লাস, ইউরোপীয় দুই পরাশক্তি ব্রিটেন এবং ফ্রান্সের তথা বিশ্বের সবথেকে এডভান্সড স্টেলথ ব্যলিস্টিক মিসাইল সাবমেরিন বলা যেতে পারে এদের। এতটা উচ্চপ্রযুক্তি দ্বারা নির্মিত এই দুই পারমানবিক অস্ত্র বহনকারী সাবমেরিন যে এরা এদের যোগ্যতা নিজেদের ভেতর একটা এক্সিডেন্ট ঘটিয়ে প্রমাণ করেছে বলা যেতে পারে ?
.
৩ ফেব্রুয়ারি ২০০৯ সালে রাতে পূর্ব-আটলান্টিকে ফ্রান্সের Triomphant পেট্রল মিশন শেষে ফেরার সময় পেট্রল অপারেশনে থাকা ব্রিটিশ HMS Vanguard এর সাথে সাবমার্জড অবস্থায় সংঘর্ষ হয়। । এতে উভয় সাবমেরিন এর বেশ ক্ষতি হলেও উভয় সাবমেরিন বেসে ফিরতে সক্ষম হয় এবং কোন প্রকার রেডিওএক্টিভিটি রিলিজ হয়নি এমনকি কোন ক্রু আহত ও হয়নি। ব্রিটিশ সাবমেরিন এর মিসাইল কম্পার্টমেন্টে আঘাত লাগায় বেশ বড় ক্ষতি হয় এবং সাবমেরিন টি পুনঃ সার্ভিসে আনতে প্রায় ৫০ মিলিয়ন পাউন্ড খরচ হয়। এবং ফ্রান্সের সাবটির স্টারবোর্ট-বো এবং কননিং টাওয়ার সহ আরো কিছু ক্ষতি হয় তবে উভয় সাব সার্ভিসে আসতে খুব বেশি সময় নেয়নি।
.
সংঘর্ষের সময় Triomphant ১৬টি M-45 SLBM (৪টি তে নিউক্লিয়ার ওয়ারহেড) এবং Vanguard ১৬টি Trident-II SLBM (৬টি তে নিউক্লিয়ার ওয়ারহেড)বহন করছিলো।
.
পরবর্তী তে জানা যায় সংঘর্ষ এর সময় উভয় সাবমেরিন খুব ধীর গতিতে চলায় আরো বেশি স্টেলথ হয় যায় এবং উভয় সাবমেরিনে এক্টিভ এবং প্যাসিভ সোনার অপারেশনাল থাকার পরেও কেউ কাউকে ডিটেক্ট করতে না পারায় এই সংঘর্ষ এড়ানো সম্ভব হয়নি ? অর্থাৎ স্টিলথ টেকনোলজি তে পশ্চিমারা কতটা এডভান্সড তা বোঝাই যাচ্ছে।
.
যুদ্ধক্ষেত্রে এই দুই সাবমেরিন এদের অত্যাধুনিক টেকনোলজি কাজে লাগিয়ে চুপিসারে অন্য দেশের জলসীমায় বসে সাবমেরিন-লঞ্চড-ব্যলিস্টিক-মিসাইল বা SLBM ছুরে দিয়ে আসার সামর্থ্য রাখে 🙂
.
.
>>> এক নির্ভীক সৈনিক <<<

Facebook Comments

1 Comment

Al Jaim Pappu · December 18, 2017 at 5:33 am

সমুদ্রে ট্রাফিক পু্লিশ নিয়োগ করা দরকার

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

%d bloggers like this: