একে-৪৭ বিশ্বের লিজেন্ডারি ওয়েপন গুলোর একটি। চলুন জেনে নেওয়া যাক এটির ব্যাপারেই কিছু অবাক করে দেওয়া তথ্য !

♦বিশ্বে প্রায় ১০ কোটির মত একে 47 ব্যবহৃত হচ্ছে,যা অন্য যেকোন অস্ত্রের তুলনায় বেশি।এটি গিনেজ বুক অফ ওয়ার্ল্ডে জায়গা করে নিয়েছে সবচেয়ে বেশি প্রচলিত অস্ত্র হিসেবে।
.
♦বিশ্বের ১০৬ টি দেশের সামরিক বাহিনী এখনো একে-47 ব্যবহার করে। ( বি.দ্র : মোট রাষ্ট্র ১৯৬ টি,এরমধ্যে অনেক দেশের নিজস্ব সামরিক বাহিনীই নেই )
.
♦এই অস্ত্রটি শুধুমাত্র রাশিয়া কর্তৃক নির্মিত হয় না এখন,বিশ্বের প্রায় ৩০ টি রাষ্ট্র লাইসেন্স নিয়ে এই রাইফেল নির্মান করছে।
.
♦ধারনা করা হয় যে, আর্টিলারী ফায়ার,রকেট হামলা ও এয়ার স্ট্রাইকের ও তুলনায় একে-47 এর মাধ্যমে অধিক মানুষের মৃত্যূ হয়েছে।
.
♦একটি পরিসংখ্যানের মতে,প্রতি বছর প্রায় ২.৫ লক্ষ মানুষ একে-47 দ্বারা গুলিবিদ্ধ হন।
.
♦একে-47 বিশ্বের অন্যতম সস্তা রাইফেলগুলোর একটি। একজন অর্থনীতিবিদ এর গড় মূল্য ৫৩৪ ডলার ঘোষনা করেছিলেন,তবে আফ্রিকায় এর মূল্য গড়ে ২০০ ডলারেরও কম। বাংলাদেশী টাকায় তা প্রায় ১৬০০০ টাকা।
.
♦ওসামা বিন লাদেনের প্রত্যেক ভিডিওতেই তার সাথে একে-47 থাকত,তবে তা কিন্তূ তাকে এর নির্মাতা রাশিয়া দেয় নি,দিয়েছে রাশিয়ার চিরশত্রু আমেরিকা।
.
♦সাদ্দামকে যখন গ্রেফতার করা হয়,তখন তার কাছে থেকে একটি স্বর্ন মুড়ানো একে-47 ও উদ্ধার করা হয়েছিল।

                                 সাদ্দামের গোল্ডপ্লেটিং করা একে-৪৭

.
♦ভিয়েতনামের যুদ্ধের সময় অনেক মার্কিন যোদ্ধা তাদের এম16 রাইফেল ফেলে দিয়ে অধিক সুবিধাজনক একে-47 কেই বেছে নিয়েছিল।তারা এসব একে-47 মূলত নিহত প্রতিপক্ষ যোদ্ধাদের থেকে নিত।
.
♦একে-47 শুধু যুদ্ধক্ষেত্রেই সীমাবদ্ধ নেই। Mozambique নামক আফ্রিকার এক দেশের পতাকাতেও একে-47 অঙ্কিত আছে।এছাড়াও জিম্বাবুয়ে ও পূর্ব তিমুরের জাতীয় প্রতীকেও একে-47 অঙ্কিত আছে। এছাড়াও হিজবুল্লাহর পতাকাতেও একে-47 অঙ্কিত আছে।

            হিজবুল্লাহর পতাকায় একে-৪৭

♦লিবারেশন নামক একটি ফ্রেঞ্চ পত্রিকা একে-47 কে শতাব্দীর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আবিস্কার হিসেবে চিহ্নিত করেছে।
.
♦বর্তমানে কিছু ব্রান্ড এক ধরনের বিশেষ বোতলে মদ বাজারজাত করে।বোতলগুলোর বিশেষত্ব হলো এগুলো দেখতে একে-47 এর মতো।

                            একে-৪৭ ভদকা বোতল

♦এক কলম্বিয়ান সংগীত শিল্পী,সিজার লোপেজ কয়েকটি একে-47 কে গিটারে রূপান্তর করেছিলেন।তিনি এই গিটারগুলির একটি জাতিসংঘের সাবেক মহাসচিব কফি আনানকে উপহার হিসেবে দিয়েওছিলেন।

♦একে-47 এর নির্মাতা মিখাইল ক্যালাশনিকভ এটি নির্মাণ করেও এর দ্বারা কোন আর্থিক আয় করেননি। এজন্য তিনি ধনী ছিলেন না। কিন্তু মার্কিন এম-16 এর নির্মাতা কিন্তু ব্যাপক ধনী হয়ে গিয়েছিলেন !

.

আজকের মতো এইটুকুই। সঙ্গে থাকুন Bangladesh Defence Forum এর।

Facebook Comments

2 Comments

Himu · December 23, 2017 at 8:19 am

Good post

Tamim · January 31, 2018 at 3:32 am

চমতকার তথ্য দিলেন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

%d bloggers like this: