২০১১ সালের ৪ ডিসেম্বর ইরানী ফোর্স একটি মার্কিন লকহেড মার্টিন RQ-170 ড্রোন ইরানের অভ্যন্তরে কাশমার শহরে আটক করে।ইরান সরকার ঘোষণা করে যে তারা এই ড্রোন সাইবার ওয়ারফেয়ার ইউনিটের মাধ্যমে নিরাপদে নামিয়ে আনে যদিও পশ্চীমা মিডিয়া দাবী করে ইরান এটি শ্যুটডাউন করেছিলো।মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র যদিও প্রথমদিকে এ ঘটনায় তাদের দায় অস্বীকার করে কিন্তু পরবর্তীতে প্রেসিডেন্ট ওবামা এই ড্রোনটি ফেরত দেয়ার জন্য ইরানের কাছে অনুরোধ জানায়।

যুক্তরাষ্ট্র দাবী করে যে ইরানের নিকটবর্তী আফগানিস্তান সিমান্তে আমেরিকান সেনাবাহিনী ড্রোনটি পরিচালনার সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলে এবং ড্রোনটি ইরানে প্রবেশ করে যা নিছক দূর্ঘটনা।কিন্তু ইরান এই দাবী প্রত্যাখান করে এবং দাবী করে যে ইরানে পারমানবিক স্থাপনা নজরদারী করতে জেনেবুঝেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এই কাজটি করে।এই ঘটনায় ক্ষিপ্ত হয়ে ইরান জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে সাধারণ অভিযোগ দায়ের করে যে এটি ইরানের আকাশসীমা লঙ্ঘন করেছে।

পরবর্তীতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র অনুসন্ধান করে পায় যে ইরানী বিজ্ঞানিরা এর স্যাটেলাইট এবং ল্যান্ড অরিজিনেট কন্ট্রোল জ্যাম করে ভুয়া জিপিএস ডাটা তৈরি করে আফগানিস্তানের হোম বেস বানিয়ে ড্রোনটি সফলভাবে ইরানে ল্যান্ড করায়।

ইরান ঘোষণা করে যে তারা এই ড্রোনের রিভার্স ইঞ্জিনিয়ারিং করবে এবং পরবর্তীতে তারা এতে সফল হয়।ইরান এই ড্রোনের নাম দেয় শায়েগ।যুক্তরাষ্ট্র আশংকা করে যে চীন-রাশিয়া ইরানের কাছ থেকে এই ড্রোনের প্রযুক্তি হাতে পেতে পারে।

Facebook Comments

1 Comment

Al Jaim Pappu · March 5, 2018 at 12:31 pm

ভালোই করছে

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

%d bloggers like this: